বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার লিমিটেড এর আয়োজনে চট্রগ্রামের পতেঙ্গা এলাকায় গাছ লাগানোর প্রতি উৎসাহ দেওয়া এবং গাছ কাটা থেকে বিরত থাকা এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধে গাছ লাগান পরিবেশ বাঁচান এই স্লোগানকে সামনে রেখে বৃক্ষরোপনে উৎসাহের লক্ষে বর্ণাঢ্য রেলি অনুষ্ঠিত হয়েছে ।বর্ণাঢ্য রেলি শেষে মানুষের মাঝে গাছের চারা বিতরন করেন এবং গাছের উপকারীতা তুলে ধরে বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার লিমিটেডের প্রধান ইন্জি: মো: আমিনুল ইসলাম বলেন- পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গাছ লাগানোর বিকল্প নেই।
বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার লিমিটেড এর আয়োজনে চট্রগ্রামের পতেঙ্গা এলাকায় গাছ লাগানোর প্রতি উৎসাহ দেওয়া এবং গাছ কাটা থেকে বিরত থাকা এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধে গাছ লাগান পরিবেশ বাঁচান এই স্লোগানকে সামনে রেখে বৃক্ষরোপনে উৎসাহের লক্ষে বর্ণাঢ্য রেলি অনুষ্ঠিত হয়েছে ।বর্ণাঢ্য রেলি শেষে মানুষের মাঝে গাছের চারা বিতরন করেন এবং গাছের উপকারীতা তুলে ধরে বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার লিমিটেডের প্রধান ইন্জি: মো: আমিনুল ইসলাম বলেন- পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গাছ লাগানোর বিকল্প নেই।
আগেকার দিনে চারদিকে যে গাছপালা দেখা যেত তার তিনভাগের একভাগও এখন দেখা যায় না। এমন চলতে থাকলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়বে। এমনিতেই দেশ পানিতে ডুবে যাওয়ার সতর্কবাণী দেয়া হচ্ছে। সবুজ শ্যামল এ দেশটা আগের মতো নেই। যেসব কারণে আমাদের এ দেশকে সবুজ-শ্যামল বলা হতো তার অন্যতম হলো চারদিকে ঘন গাছপালা আর সবুজের সমারোহ। এখন সেই সবুজ-শ্যামল রূপ খুব কমই চোখে পড়ে। গাছপালা ও ফসলি জমি ধ্বংসের কারণে পাখপাখালিও আগের মতো দেখা যায় না। গাছপালা কাটার ফলে পাখিদের আশ্রয়স্থল কমে যাচ্ছে। হরদম গাছপালা কাটা হলে পাখিদের বংশবৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। সুন্দর পরিবেশে বেঁচে থাকার জন্য বৃক্ষরোপনে অংশ গ্রহন ও গাছের পরিচর্যায় করার জন্য তিনি সবার প্রতি আহবান জানান ।
বর্ণাঢ্য রেলিতে অংশগ্রহন করে বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার লিমিটেড এর অপারেশন বিভাগের উপ ব্যাবস্থাপক ইন্জি: মো: শামসুল আলম জানান গাছ আমাদের অক্সিজেন দেয় এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে। আমরা যদি আমাদের প্রত্যকের নিজ নিজ অবস্থান থেকে পরিবেশকে স্বাভাবিক রাখার জন্য কিছু গাছ লাগানোর চেষ্টা করি, তাহলে এটিই হতে পারে লাখো মানুষের জীবন বাঁচানোর পাথেয়। তিনি আরোও বলেন আসুন আমরা সবাই মিলে গাছ লাগানোর কাজে অংশগ্রহণ করি।অপারেশন বিভাগের প্রধান ইন্জিনিয়ার মো: রেজাউল করিম বলেন গাছ কেটে ফেললে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ কমে গিয়ে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া ছাড়াও গ্রিনহাউজ ইফেক্ট, প্রাকৃতিক দুর্যোগ সৃষ্টি, এবং ফরেস্ট ফায়ার হতে পারে। আমরা প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল। প্রকৃতির বড় অবদান আমরা গাছপালা থেকে পাই। কারণ গাছ থেকে আমাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পেয়ে থাকি সংগত কারণে আমরা সবাই যেন গাছ রোপন করি গাছের পরিচর্যা করি এমন আশা তিনি ব্যক্ত করেন।
উক্ত কর্মসুচীতে আরও উপস্থিত ছিলেন বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার লিমিটেড এর,মেকানিক্যাল বিভাগের প্রধান মো: জান্নাত হোসেন,উপ ব্যাবস্থাপক ইন্জি: মো: রাশেদুল হক,ইলেক্ট্রিক্যাল বিভাগের প্রধান ইন্জি: মো: ইসহাক আলী, উপ ব্যাবস্থাপক ইন্জি: মো: ইসমাইল হোসেন মজুমদার, ফুয়েল ডিপার্টমেন্টের প্রধান মুফতী আব্দুল খলিল আল জামি,ইনভায়রনমেন্ট ও সেফটি বিভাগের মো: সালাউদ্দিন আয়ুবী,আসিফ আহমেদ কুরেশী ,এইচ আর এডমিন বিভাগের মো: মোজাম্মেল হক সহ বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার লিমিটেড এর অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারী বৃন্দ।